জাদুকরের পালিতপুত্র

♥জাদুকরের 

পালিতপুত্র

ডি. অমিতাভ

 

একটা ছেলে ছিল। কত আর বয়েস হবে। এই উনিশকুড়ি। রোগা লম্বা। মুখে তার টিকালো। নাকের নিচে কচিগোঁফ। দাড়িগুলো কুঁকড়ে বেঁকে অদ্ভুত এক সৌন্দর্য তৈরী করেছে ছেলেটার সারা মুখে। তেমনি গভীর তার চোখের ভাষা। গভীর সমুদ্রের রঙে রাঙানো তার সেই দু চোখের তারা। ছেলেটি বড় একটা কথা বলে না। তার চোখের দিকে তাকালেই বোঝা যায় তার ভাষা। কখনও চলকে ওঠে সমুদ্রের মতো তার চোখের তারা ; কখন শান্ত সমুদ্রের বৈভব তার চোখে। টলটলে নীল চোখে অসামান্য দ্যুতি।
ছেলেটি নিজের পিঠে ছুরি বসিয়ে মজার খেলা দেখায় । লোকে তার খেলা দেখে গোল হয়ে দাঁড়িয়ে। হাত তালি দেয় উচ্ছ্বসিত আনন্দে। খেলা শেষের দিকে ফাঁকা দুহাত আকাশের দিকে ছুঁড়ে পেঁজা তুলোর মতো উড়িয়ে দেয় এক ঝাঁক সাদা পায়রা। পায়রাগুলো আকাশে উড়তে থাকে তার মাথার ওপর। তার খেলা শেষ হয়ে যায় আর সে পায়রাগুলোকে ডাকতে থাকে হাতের মুদ্রায়। এক এক করে নামতে থাকে পায়রা গুলো। তারা কেউ ছেলেটির কাঁধে এসে বসে, কেউ মাথায় কেউ হাতের মুঠোয়। ছেলেটি ভুলে যায় দর্শকদের অভিবাদন জানাতে এবং টুপি খুলে সাম্মানিক চাইতে। খেলা শেষে মেলা শেষ হয়ে যায় দর্শকদের। তারা চলে যায় একে একে। কেউ পয়সা দেয় না। কিছু মানুষ যারা পয়সা না দিয়ে যেতে চায় না ; তারাও পয়সা দিতে পারে না। এ জাদুকরকে মুদ্রা ছোঁড়া যায় না। ছেলেটিকে দেখলেই সম্মান জানাতে ইচ্ছা করে। যেমন তার জাদু তেমনি তার রূপ। মনে হয় বয়েস কমিয়ে ঈশ্বর আবার পথে নেমেছে।
আসলে ইঙ্গিতের জন্ম কোথায় কখন হয়েছে কেউ জানে না। খেলা দেখাতে গিয়ে ঐ দূর পাহাড়ি গ্রামটার নীচে থেকে এনেছিল তার বাবা। বছর আড়াই তিনের একটা শিশু একটা ঝোরার জলে একা খেলা করছিল। সব শিশুই ঈশ্বরের পুত্র মনে হয় জাদুকর সুদাসের। তার নিজের দুই পুত্র থাকা সত্ত্বেও জাদুকর বাড়ি নিয়ে আসে ইঙ্গিতকে। ইঙ্গিত সেই থেকেই জাদুকর সুদাসকে বাবা বলে।
তার পর আরও দশ বছর বেঁচে ছিল বৃদ্ধ জাদুকর। ইঙ্গিত জীবনের সব থেকে সুন্দর সময় কাটিয়েছে তার বৃদ্ধ বাবার সাথে। বাবার পায়ে পায়ে ঘুরে শিখে নিত অসম্ভব সব জাদু। বৃদ্ধ শেখাতও মন প্রাণ দিয়ে। তার দুই পুত্র খেলা শিখত উপার্জনের তাগিদে। কিন্তু ইঙ্গিত ছিল বৃদ্ধ জাদুকরের শ্রেষ্ঠ ছাত্র। এবং শেষ ছাত্রও। বৃদ্ধ ইঙ্গিতকে জাদুবিদ্যার শৈল্পিক দিক সবে শেষ করে, ব্যবহারিক বিদ্যা শেখাতে শুরু করেছে এমন সময় তার জীবনের জাদুই শেষ হয়ে যায়। ইঙ্গিতের আর শেখা হয় না জাদু দেখিয়ে পেট চালাবার পদ্ধতি।
আজও ইঙ্গিত সাম্মানিক চাইতে ভুলে যায়। পায়রাদের আবার আকাশ থেকে ফিরে পেতে পেতে দর্শকরা ফিরে যায় আনন্দ মেখে। পায়রাদের ছোলা শেষ। কী খাবে কাল সকালে ? ইঙ্গিত খুব ভেঙ্গে পড়ে। তার দুঃখ ছোঁয়ার লোক নেই । সে কথাও বলে খুব কম। তার সব না বলা কথা বুঝতো শুধু তার বৃদ্ধ বাবা। বাবার মৃ্ত্যুর পর সে ঘর ছেড়েছে দুই দাদার অত্যাচারে। তারা বয়েসে অনেক বড় কিন্তু সম্পত্তির ছোট অংশও ছাড়তে চায় না কুড়ানো ভাইকে। অথচ ইঙ্গিত শুধু থাকতে চেয়েছিল বাবার স্মৃতিগুলো আঁকড়ে ধরে। দাদারা সেটুকুও ছাড়তে রাজি ছিল না।
ইঙ্গিত ঝোলা বেঁধে হাঁটা শুরু করে দূরের দুই পাহাড়ের কাঁধের দিকে লক্ষ্য রেখে। রাস্তা এঁকে বেঁকে চলেছে। তার ইচ্ছা পাহাড়ের কাঁধ টপকে চলে যাবে পাশের গ্রামে তার খেলা দেখাতে। অনেকটা পথ যেতে হবে। পথ চলতে চলতে একটা সময় ক্লান্ত হয়ে একটা বেলগাছের নীচে বসে। তার খিদেও পেয়েছে খুব।
গাছের গায়ে হেলান দিয়ে বসে ঘুমিয়ে পড়ে ইঙ্গিত। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে সে স্বপ্ন দেখে তার বাবার। বাবার যেন আরও বয়েস বেড়েছে। দাড়িটা লম্বা হয়েছে খুব আর সব সাদা হয়ে গেছে। মাথার টুপিটা পরেছে আগের থেকে অনেক উজ্জ্বল। আর গায়ে একটা কাপ্তান চাপিয়েছে যৌবন রঙের। বাবা তাকে ছোটবেলার মত শেখাচ্ছে জাদু কারুকার্য। স্বপ্নের মধ্যেই খুব মন দিয়ে শিখে নিতে চায় সে। বাবা একদম একটা নতুন খেলা শেখাচ্ছে তাকে। নিজের হৃৎপিণ্ড উপড়ে ফেলে তার জায়গায় বসিয়ে দিচ্ছে কোমল হৃদয়। এই খেলা ঠিক ঠিক দেখাতে পারলে নাকি দর্শকদের হৃদয়েরও পরিবর্তন হবে। হৃদয় কোমল হয়ে উঠবে। বাবা বলছে, এই হৃদয়ের খেলাটা দেখাস দুই দাদাকে। ইঙ্গিত জানতে চায়, হৃৎপিণ্ড উপড়ে ফেললে নতুন হৃদয় পাব কোথায় ? তখন তার বৃদ্ধ পিতা তার হাতে একটা বেল দিয়ে বলে, এর মধ্যে রাখা আছে অজস্র হৃদয়। ইঙ্গিত হাত বাড়িয়ে নিতে যায় সেই বেল।
তখনই বেলগাছ থেকে একটা পাকা বেল পড়ে। তার শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যায় ইঙ্গিতের। ইঙ্গিত বুঝতে পারে আসলে সে স্বপ্ন দেখছিল। জেগে উঠতে উঠতে আক্ষেপটাও বাড়তে থাকে। খেলাটা বেশ মনে ধরেছিল। ইস্‌ যদি সত্যিই খেলাটা সে মানুষকে দেখাতে পারত মানুষের মধ্যে দ্বেষ, হিংসা, নির্মমতা সব মুছে দিতে পারতো, ভাবে ইঙ্গিত। বেলটা গড়াতে গড়াতে তার হাতের কাছেই চলে আসে। ইঙ্গিত বেলটা হাতে নেয়। বোঝার চেষ্টা করে স্বপ্নের হৃদয়বাহী বিল্বফল এটা কি না। বেশ বড় ফল এটি। ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখে। ঝাঁকিয়ে দেখে ভারী বেলটা। তার পর নিশ্চিত হয় এটা বাস্তবের একটা ফল। ইঙ্গিতের খারাপ লাগাটা ঘিরে ধরে আবার।
মন খারাপ নিয়েই বাস্তবে ফিরে আসে ইঙ্গিত। এই বেলটার সাথে ঝোলায় পড়ে থাকা অল্প কিছু ছোলার ছাতু মেখে পায়রাগুলো কালকে খাওয়ানো যাবে। তার নিজেরও চলে যাবে আজ দিনটা। ইঙ্গিত ঠিক করে, ঘুমের ফলে শরীর চাঙ্গা যখন হয়েই গেছে, এবার হাঁটতে হবে দুই পাহাড়ে কাঁধের দিকে। ঠিক তখনই এক অন্ধ ভিক্ষুক এসে পৌঁছায় সেখানে।
— বন্ধু সকাল থেকে খাওয়া হয়নি। আমায় কিছু অন্ন দাও।
ইঙ্গিত সাধারণত কথা না বলেই চোখের ভাষাতেই কথা বলে নেয়। কিন্তু এখন তাকে বলতেই হলো অন্ধ ভিক্ষুককে, বাবা আমার কাছে অন্ন তো নেই। কাছাকাছি গৃহস্থের বাড়িও তো দেখছি না। আমার কাছে এই বিল্বফল আছে নিন। আপনার ক্ষুন্নিবৃত্তি নিবৃত্ত করুন।
}{ ২ }{
ভিক্ষুকটা এসে ছিল কোন দিক থেকে ইঙ্গিত খেয়াল করেনি। তখন সে সবে সবে ঘুম থেকে উঠছে। তবে ভিক্ষুকটা ইঙ্গিত যেদিকে যাবে সেই দিকেই এগিয়ে যায়। ইঙ্গিত অনেকটা কিংকর্ত্তব্যবিমূড় ভাবটা কাটিয়ে উঠে, হাঁটা শুরু করবে ভাবে। ঠিক তখনই দুপুরের রোদ ছাপিয়ে ঠাণ্ডা একটা বাতাস লাগে ইঙ্গিতের সারা শরীরে। বহুদিন পরে সে তার অচেনা প্রিয় ফুলের গন্ধ পায়। এই ফুলটা সে কখনও দেখেনি কিন্তু গন্ধটা পেলেই বুঝতে পারে সেটা সুন্দর কোন ফুলের। ঝোলা তুলে ইঙ্গিত হাঁটতে শুরু করে অচেনা ফুলের সুবাসের উৎসের দিকে। অনেকটা এগিয়ে যাওয়ার পরই সুবাসটা মৃদু মৃদু সুর হয়ে ওঠে। জলতরঙ্গ আর বীণার সুর মিশে নতুন এক সুর আবিষ্কার করে ইঙ্গিত সুবাসটার অন্তর থেকে।
সে আরও এগিয়ে যেতে থাকে সুর আর সুবাসটা অনুসরণ করতে করতে। সুরটা কোথায় যেন শুনেছে মনে করতে পারে না। খুব ভাবতে থাকে ইঙ্গিত। সুবাসটাও সে সদ্য সদ্য পেয়েছে যেন। মনে পড়ে তার স্বপ্নের কথা মনে পড়তেই। মৃত বাবা যখন স্বপ্নে তাকে “কোমল হৃদয়” খেলাটি শেখাচ্ছিল তখনই এই সুর বাজছিল আর সুবাসটা ভাসছিল আবহ হয়ে। খুব অভিমান হয় তার বাবার ওপর। কেন পুরো খেলাটা বাবা শেখাল না ? তীব্র অভিমান হয় তার। বাকী স্বপ্ন-তো দেখা যায় না। তাহলে হয়তো নিজেই শিখে নিতে পারতো ঐ সুর আর সুবাসের আবহ পেলে।
একটা মনখারাপ আর অভিমান নিয়ে হাঁটতে থাকে ইঙ্গিত। আর আসতে আসতে ইঙ্গিত একটা ঘোরের মধ্যে চলে যায়। অসম্পূর্ণ শেখা খেলাটার প্রতি মায়া তাকে খুব ভাবাচ্ছে। সুর আর সুবাস তাকে আচ্ছন্ন করে তুলেছে। ধীরে ধীরে সুরটা বেড়ে যায় ঝম্ ঝম্ করে বৃষ্টির মতো বাজতে থাকে। ইঙ্গিতের ঝোলা আর ঝোলার মধ্যে খাঁচা ; খাঁচার মধ্যে পায়রা গুলো আনন্দে ঝট্ পট্ করে ওঠে। পায়রাদের পথ কষ্ট লাঘবের জন্য সে তাদের খাঁচায় পুরে বয়ে বেড়ায়। কিন্তু তাদের আনন্দ উল্লাস দেখে ইঙ্গিত তাদের খাঁচা মুক্ত করে দেয়। সাদা পায়রা গুলো আকাশে উড়ে যায়। খুব বেশী ওপরে ওঠে না। সুর-সুবাস আর ইঙ্গিতের মাঝে কোণ তৈরী করে উড়তে থাকে একই উচ্চতায়। অনেকটা যেন সাদা গালিচা উড়ছে মাথার উপর। আর উড়তে উড়তে পায়রা গুলো জলতরঙ্গের সুরে একই সাথে ঢেউ তুলছে ; বাম দিকে ডান দিকে সরে গিয়ে গালিচা আকৃতির পরিবর্তন করছে।
খুব ভাললাগে সুর আর সুবাসের এই খেলা। মন খারাপটা আগেই উবে গেছে বাতাসের দাপটে। আর সে এই সুন্দর পরিবেশের কারণে অভিমানটা বাবার ওপর থেকে তুলে নেয়। সে দ্রুত পা চালায়। কোথাও তার যাওয়ার তাড়া নেই ঠিকই কিন্তু সুরটা যেন সে ছুঁতে চায় উৎসের তীব্রতায়।সামনের রাস্তাটা আর আঁকা বাঁকা নেই। সোজা হয়ে উঠে গেছে উপরের দিকে। রাস্তাটা যদিও সরু। রাস্তার দুধরে অসম্ভব উজ্জ্বল সব ফুলের গাছ। এরকম ফুল আগে কখনও ইঙ্গিত দেখেনি। এই ফুল গুলো থেকেই কি সেই আগে পাওয়া অচেনা সুগন্ধ ভেসে আসে ? নীচ থেকে দূরতম দৃশ্যমান রাস্তার দিকে তাকিয়ে দেখে গাছের ভেতর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে অন্ধ ভিক্ষুকটি। তার চলার ভঙ্গিতে কোথাও দৃষ্টিহীনতা নেই। সে স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটছে আর হাতের তরঙ্গায়িত সঞ্চালনে তৈরি করছে অসম্ভব সুন্দর জলতরঙ্গের সুর। এ সুর মানুষের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিতে পারে কানের মধ্যে দিয়ে হৃদয়ে প্রবেশ করে।
ইঙ্গিত দূরের দিকে তাকিয়ে দেখে তার গন্তব্য অনেক আগেই বদলে গেছে। দুই পাহাড়ে কাঁধ দিয়ে পাশের গ্রামে যাওয়ার বদলে তার সামনের রাস্তায় অন্যরকম আবহ। একটা তীব্র পাহাড় সামনে। অসম্ভব সুন্দর তার গড়ন। পেলব তার ভঙ্গিমা। সুউচ্চ তার শিখর। আসলে পাহাড়টা পাহাড় না; পর্বত। মিশে গেছে আকাশের সঙ্গে তবু বোঝা যাচ্ছে তার পাকদণ্ডি পথের আভাস। তবে কি এটাই ঈশ্বরপথ ?
পাহাড়ের চূড়ার দিক থেকে ইঙ্গিত আবার রাস্তার দিকে তাকায়। অন্ধ ভিক্ষুকটা দাঁড়িয়ে গেছে। যেন অপেক্ষা ক’রে তার জন্য। খুব ভালো করে তাকায় ইঙ্গিত ভিক্ষুকটার দিকে। গাছের মধ্যে দিয়ে বোঝা যায় না ভালো করে। ইঙ্গিত দ্রুত এগিয়ে যেতে থাকে। পায়রাগুলোও চেনা মানুষের মত অন্ধের মাথার উপর উড়ছে। সুর আর সুবাস এখন আরও সম্পৃক্ত। ভিক্ষুকটার গায়ে এখন স্বপ্নে দেখা বাবার মতোই কাপ্তান। শুধু টুপিটা নেই। দুহাত সুরেলা তরঙ্গায়িত এখনও। ইঙ্গিতের অন্ধ ভিক্ষুককে তার মৃত পিতা মনে হয়। দ্রুত হাঁটতে থাকে; প্রায় দৌড়ে পোঁছে যায় মানুষটার কাছে।
ইঙ্গিতের চোখের তারায় চলকে ওঠে কয়েক ফোঁটা নীল জল। না এ মানুষটা তার বাবা না !
— বন্ধু জাদু শিখবে ? সেই “কোমল হৃদয়” খেলাটি শিখবে ?
চলকে ওঠে ইঙ্গিত। তার স্বপ্নের কথা জানলো কী করে অন্ধ মানুষটা ! অন্ধ মানুষটা তার মনের কথা বুঝতে পারে হয়তো। ইঙ্গিতকে বলে, সব থেকে বড় জাদুকরের থেকে শিখতে চাও জাদু ?
ইঙ্গিত অবাক বিস্ময়ে জানতে চায়, হ্যাঁ কিন্তু কে তিনি ? তার দেখা সব থেকে বড় জাদুকর তো তার পালক পিতা। অন্ধ মানুষটা তার চোখে হাত বুলিয়ে দেয়। তার হাতে লেগে যায় ইঙ্গিতের চোখের নীল জল। আর ইঙ্গিত ধীরে ধীরে অন্ধ হয়ে ওঠে। পাশের মানুষটাকে জড়িয়ে ধরে অনুভব করে ঈশ্বরের কিন্তু গায়ে যে গন্ধ পায় সেটা খুব চেনা। ইঙ্গিত চিৎকার করে ওঠে আনন্দে, বাবা !!
— না আমি সবার পিতা, পুত্র।
— না বাবা, তোমার গন্ধ ওটা। আমি চিনি ঈশ্বর অথবা তোমার গন্ধ।
(প্রকাশিত দৈনিক দেশকাল, ২০১৬)